দেশের নিরাপত্তা আপোসহীন করার জন্য সরকার সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সন্ত্রাসবাদী এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সার্জিকাল স্ট্রাইক:
২০১৬ সালের উরি হামলার পর ভারতীয় সেনা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সার্জিকাল স্ট্রাইক পরিচালনা করেছিল। এটি প্রমাণ করেছে যে ভারত এখন আত্মরক্ষায় সক্ষম এবং সীমান্ত লঙ্ঘনকারীদের কঠোর শাস্তি দিতে প্রস্তুত।
অপারেশন সিন্দুর:
২০২৫ সালে ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের লক্ষ্য এলাকায় ড্রোন অপারেশন পরিচালনা করেছে। এটি ভারতের সামরিক সক্ষমতার নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম:
ভারত এখন নিজেই যুদ্ধবিমান, মাইসাইল এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি করছে। 'তেজাস' যুদ্ধবিমান, 'ব্রাহ্মোস' ক্ষুদ্রপথ মাইসাইল এবং বিভিন্ন ড্রোন প্রযুক্তি ভারতকে সামরিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলেছে।
সীমান্তে সুরক্ষা:
সীমান্তে দেওয়ালের মতো বেড়া দেওয়া হয়েছে যা অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করে। ইলেকট্রনিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম এবং ড্রোন প্যাট্রোলিং চব্বিশ ঘণ্টা চলে। ফলে সীমান্তে সাধারণ অপরাধ ও সন্ত্রাস অভিযান উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
কাশ্মীর সুরক্ষা:
৩৭০ ধারা বাতিলের পর কাশ্মীরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাথর ছোঁড়া ঘটনা ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং বিনিয়োগকারীরা কাশ্মীরে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভারতকে একটি শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।